“কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি” বিষয়টি মানুষের জীবনের দুঃখ-দুর্দশা, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসার গুরুত্বকে তুলে ধরে। কষ্টের সময় ধৈর্য ধারণ করলে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করলে তিনি বান্দার গুনাহ মাফ করেন ও মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি” (সূরা ইনশিরাহ, আয়াত ৬)। এই উক্তিগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কঠিন সময়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখা এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত। এই ব্লগে আমরা কষ্ট নিয়ে কিছু ইসলামিক উক্তি এবং এর মাধ্যমে আমাদের জীবনে শান্তি কিভাবে আনতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা করব।
কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি
“কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি” হল এমন এক ধরনের উক্তি বা বাণী যা ইসলামী চিন্তাধারা, ধর্মীয় শিক্ষা এবং সাহাবিদের জীবনের ঘটনাবলীতে ভিত্তি করে গঠিত। এসব উক্তি মানুষের জীবনের কষ্ট ও দুঃখ-কষ্টের মোকাবিলা, সেগুলো সহ্য করার শক্তি এবং আল্লাহর উপর আস্থা রাখার প্রেরণা প্রদান করে। ইসলামিক উক্তিগুলোর মাধ্যমে মানুষকে শেখানো হয় যে, কষ্ট পৃথিবীর অস্থায়ী ঘটনা, এবং আল্লাহর কাছ থেকে একমাত্র শান্তি ও সান্ত্বনা পাওয়া সম্ভব। এই ধরনের উক্তি মানব মনের অন্ধকার মুহূর্তগুলিতে আলো জ্বালানোর এবং ঈমানের শক্তি বাড়ানোর জন্য সহায়ক হতে পারে।
- “ধৈর্যশীলদের জন্য আল্লাহ বড় পুরস্কার রেখেছেন।” (আল-বাকারা ২:২৫)
- “কষ্টের পর সুখ আসবে, কিন্তু তুমি ধৈর্য ধারণ করো।” – (হাদিস)
- “দুঃখের সময়ে যে ধৈর্য ধারণ করে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কৃত হবে।” – (হাদিস)
- “সত্যিকারের বিশ্বাসী হলেন তারা, যারা বিপদে ধৈর্য ধরেন।” – কুরআন
- “অলঙ্কারের মাঝে কষ্টের সৌন্দর্য থাকে, তবে ধৈর্যই সবচেয়ে মূল্যবান।” – হাদীস
- “কষ্টের পর সুখ আসে, তোমার ধৈর্য তোমার বড় শক্তি।” – কুরআন
- “যখন তুমি কষ্ট পাবে, মনে রেখো আল্লাহ তোমার পাশে আছেন।” – কুরআন
- “আল্লাহ তোমার কষ্ট দেখে ধৈর্য শিখিয়ে দেন।” – হাদীস
- “মাথা নিচু করে আল্লাহর কাছে দোয়া করো, তিনি তোমার কষ্ট দূর করবেন।” – কুরআন
- “কষ্টের পরে আল্লাহ কখনও তোমার সন্মান কমাবেন না।” – হাদীস
- “তুমি যদি কষ্ট ভোগ করো, ধৈর্য রাখো, সেরা পুরস্কৃত হবে।” – কুরআন
- “ভয় এবং কষ্ট আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে।” – হাদীস
- “কষ্টের সময় আল্লাহ কাছে তোমার দোয়া কবুল করবেন।” – হাদীস
- “তুমি যত কষ্ট পাবে, তোমার আধ্যাত্মিক শক্তি তত বাড়বে।” – কুরআন
- “কষ্টে দুঃখিত হওয়ার পরিবর্তে আল্লাহর প্রতি ধৈর্য প্রদর্শন করো।” – হাদীস
- “যারা কষ্টের সময়ে ধৈর্য ধরে, তারা আল্লাহর রহমত পাবে।” – হাদীস
- “আপনার কষ্টের প্রতি বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহ আপনাকে পরিত্রাণ দেবেন।” – কুরআন
- “আল্লাহ তাদের সহ্য করার শক্তি দান করেন যারা কষ্ট পায়।” – কুরআন
- “তুমি যদি আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, কষ্ট তোমার জন্য সহজ হয়ে যাবে।” – কুরআন
- “কষ্ট যদি সহ্য করা যায়, তাহলে পরিণতি সুন্দর হবে।” – কুরআন
- “ধৈর্যপূর্ণ মানুষরা আল্লাহর কাছে প্রিয়।” – হাদীস
- “আল্লাহ তোমার কষ্ট দূর করার শক্তি দেন।” – কুরআন
- “সত্যিকারের কষ্ট হলো ধৈর্য হারা না হওয়া।” – হাদীস
- “কষ্টের মধ্যেও আশার আলো খুঁজে পাও।” – কুরআন
- “যারা ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাদেরকে সুসংবাদ দেয়।” – কুরআন
- “ধৈর্যকে কখনো খোও না, কারণ তা আল্লাহর রহমতের পথ।” – কুরআন
- “প্রত্যেক দুঃখের পর শান্তি আসে, তাই ধৈর্য ধরো।” – হাদীস
- “কষ্টের পর শুভ সময় আসবে, যদি তুমি আল্লাহর প্রতি ধৈর্য ধরো।” – কুরআন
- “কষ্টের মধ্য দিয়ে আল্লাহ তোমার ঈমান পরীক্ষা করেন।” – কুরআন
- “ধৈর্য ও পরিশ্রমের ফল কখনও বৃথা যায় না।” – হাদীস
দুঃখ কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি
“দুঃখ কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি” এমন কিছু বাণী বা উপদেশকে বোঝায় যা ইসলাম ধর্মের শিক্ষার আলোকে দুঃখ-কষ্ট, বিপদ ও সমস্যার সময় মনোবল ও ধৈর্য ধরে থাকার পরামর্শ দেয়। ইসলামিক উক্তিগুলিতে মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস, তাঁর সহায়তা চাওয়া, এবং পরিস্থিতি যেভাবেই থাকুক না কেন, দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পরিশ্রম চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এগুলি মুসলিমদের কঠিন সময়ে ধৈর্য, সহানুভূতি ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখতে সহায়ক। বিভিন্ন হাদিস ও কুরআনের আয়াতসমূহে, মানব জীবনে দুঃখ-সুখ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখানো হয়েছে, এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া ও তাঁর রহমতের প্রতি আশাবাদী থাকার কথা বলা হয়েছে।

- “দুঃখ-কষ্টের সময় আল্লাহর দিকে ফিরে যাও, তিনি তোমার জন্য সবচেয়ে বড় সাহায্য।”
- “অল্প কষ্টের পর বড় সুখ আসে, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখো।”
- “প্রত্যেক দুঃখের মধ্যে একটি শিক্ষা থাকে, যা তোমার জীবনকে আরও শক্তিশালী করে।”
- “দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখো, কারণ তিনি সেরা পরিকল্পনাকারী।”
- “আল্লাহ তোমাকে কষ্ট দিয়ে তোমার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে চান।”
- “যারা আল্লাহর পথে কষ্ট পায়, তাদের জন্য রয়েছে আসমানের পুরস্কার।”
- “যে কষ্টের সময় তুমি আল্লাহকে স্মরণ কর, সেই কষ্টই তোমার জন্য প্রশান্তি বয়ে আনে।”
- “আল্লাহ আমাদের ওপর পরীক্ষা দেন, কিন্তু তিনি আমাদের সহ্য করার শক্তি দেন।”
- “যখন তুমি কষ্ট পাবে, মনে রেখো, এটি তোমার ঈমানের শক্তি পরীক্ষা।”
- “দুঃখ-কষ্ট একটি পথ যা আল্লাহ তোমাকে তোমার পরবর্তী সফলতার দিকে নিয়ে যায়।”
- “আল্লাহর কাছে কষ্ট নিয়ে যাও, সে তোমার দুঃখ দূর করবে।”
- “প্রত্যেক কষ্টের পর, আল্লাহ তোমাকে যা ভালো মনে করবেন তা দান করবেন।”
- “সব থেকে বড় শান্তি হলো, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখাটা।”
- “কষ্টের মধ্যে ধৈর্য ধারণ করা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।”
- “অতীতের দুঃখ ত্যাগ করো, কারণ তোমার ভবিষ্যত আল্লাহর হাতে।”
- “কষ্ট পেলে আল্লাহর প্রতি তাওবা করো, তিনি তোমাকে সান্ত্বনা দিবেন।”
- “দুঃখের সময় ধৈর্য রাখলে, আল্লাহ তোমাকে শান্তি দেন।”
- “আল্লাহ কখনো তার বান্দাকে কষ্ট দেন না যদি না তা প্রয়োজনীয় হয়।”
- “দুঃখের মধ্যে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করো।”
- “এটি আল্লাহর ইচ্ছা যে, তিনি তোমাকে তোমার শক্তির সাথে পরীক্ষা করেন।”
- “কষ্টের পর প্রশান্তি আসবে, তাই বিশ্বাস রেখো।”
- “আল্লাহ তোমার ক্ষতি নয়, বরং তোমার কল্যাণের জন্য তোমাকে পরীক্ষা করেন।”
- “আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়, সুতরাং কষ্টের সময় তার প্রতি ভরসা রাখো।”
- “যখন তুমি কষ্টে থাকো, আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, তিনি তোমার সঙ্গী।”
- “জীবন কঠিন হতে পারে, কিন্তু আল্লাহ আমাদের প্রতিটি কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা দেন।”
- “তুমি যেই কষ্টের মধ্যে আছো, তাতে আল্লাহ তোমার জন্য ভাল কিছু রেখেছেন।”
- “দুঃখ-কষ্টের মধ্যে আল্লাহর প্রশংসা করো, তা তোমাকে শান্তি এনে দেবে।”
- “যারা ধৈর্য ধারণ করে, তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর পুরস্কার।”
- “আল্লাহ কখনো তার বান্দাকে তাদের শক্তির বাইরে কিছু দেন না।”
- “যে কষ্টের মাঝে তুমি আল্লাহকে খুঁজবে, সেটি তোমার জন্য সান্ত্বনা এনে দেবে।”
- “দুঃখ-কষ্টের সময় আল্লাহর প্রতি বিনম্রতা রেখো, তিনি তোমাকে সাহায্য করবেন।”
- “যারা কষ্টের পর আল্লাহর সাথে থাকে, তাদের জন্য আল্লাহ নিজেই সাহায্য পাঠান।”
- “আল্লাহ আমাদের কষ্টের মাধ্যমে আমাদের অন্তরের পরিশুদ্ধি চান।”
এমন উক্তির মাধ্যমে মানুষের মনে সাহস ও শক্তি সঞ্চারিত হয়, যাতে তারা তাদের কষ্টের সময়েও আল্লাহর উপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
কাউকে কষ্ট দেওয়া নিয়ে ইসলামিক উক্তি
“কাউকে কষ্ট দেওয়া নিয়ে ইসলামিক উক্তি” বলতে ইসলামে কাউকে কষ্ট দেওয়া বা অন্যের ক্ষতি করা অত্যন্ত গম্ভীর এবং নিষিদ্ধ একটি কাজ। ইসলাম সবসময় শান্তি, ভালবাসা, এবং পরস্পরের প্রতি সহানুভূতির দিকে উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদের প্রতি কষ্ট দেওয়া বা তাদের মানসিক যন্ত্রণা সৃষ্টি করা ইসলামে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। মুসলমানদের জীবনে এই নীতি অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ এবং সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
- “আপনার ভাষা এবং হাত দিয়ে কাউকে কষ্ট না দেওয়া মুমিনের গুণ।” – কোরআন
- “যে কাউকে কষ্ট দেয়, সে আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়।” – হাদিস
- “তোমরা যদি কাউকে ক্ষমা করো, তবে আল্লাহ তোমাদেরও ক্ষমা করবেন।” – কোরআন
- “শান্তি এবং দয়ালু আচরণ হল মহান ইসলামের মূলনীতি।” – কোরআন
- “প্রতিটি মানুষই তার اعمالের ফল ভোগ করবে।” – কোরআন

- “হিংসা বা আঘাত দেবার জন্য পীড়িত মনোভাব ইসলামে নিষিদ্ধ।” – কোরআন
- “যে মানুষ অন্যকে কষ্ট দেয়, সে সৎ কাজ থেকে বঞ্চিত হয়।” – হাদিস
- “অন্যের দুঃখের সময়ে তার পাশে দাঁড়াও, আল্লাহ তোমার পাশে থাকবে।” – হাদিস
- “কাউকে কষ্ট দেওয়া হারাম এবং অন্যকে সম্মান করা সওয়াব।” – কোরআন
- “বিশ্বাসী কখনো তার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না।” – হাদিস
- “যে কাউকে কষ্ট দেয়, সে আল্লাহর নিকট অপরাধী হবে।” – হাদিস
- “সকল প্রকার কষ্ট ও নির্যাতন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করো।” – কোরআন
- “অন্যের হৃদয়ে কষ্ট না দিয়ে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করো।” – কোরআন
- “অন্যের সামনে কথা বলার সময় সতর্ক থাকো যাতে তাকে কষ্ট না হয়।” – কোরআন
- “কাউকে কষ্ট দেওয়া কখনোই ইসলামে অনুমোদিত নয়।” – কোরআন
- “অন্যকে কষ্ট দেবার বদলে, তাদের পাশে দাঁড়াও, তাদের সাহায্য করো।” – হাদিস
- “যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, তার জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।” – কোরআন
- “বিশ্বাসী কখনো অন্যের পেছনে কথা বলে তাকে কষ্ট দেয় না।” – কোরআন
- “কোনো ভাইয়ের প্রতি খারাপ মনোভাব না রাখা মুসলমানের লক্ষণ।” – হাদিস
- “সত্য কথা বলা এবং কাউকে কষ্ট না দেয়া মুমিনের গুণ।” – কোরআন
- “যে আল্লাহর পথে অন্যকে কষ্ট দেয়, সে আল্লাহর নিকট পরাজিত হবে।” – হাদিস
- “কেউ যদি তোমাকে কষ্ট দেয়, তোমরা তাদের জন্য দোয়া করো।” – হাদিস
- “আপনার কথার মাধ্যমে কাউকে আঘাত করার থেকে বিরত থাকুন।” – কোরআন
- “বিশ্বাসী কখনো কাউকে আঘাত বা কষ্ট দেয় না।” – হাদিস
- “সত্য বললে কাউকে কষ্ট দেওয়া হবে না, যদি তুমি তা সততার সাথে বলো।” – হাদিস
- “কষ্ট দেওয়ার জন্য কখনো কাউকে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করো না।” – কোরআন
- “যে কেউ অন্যকে আঘাত করে, তার জন্য আল্লাহর শাস্তি নিশ্চিত।” – হাদিস
মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিয়ে ইসলামিক উক্তি
মানুষকে কষ্ট দেওয়ার পরিণতি নিয়ে কুরআন ও হাদীসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক উক্তি জানুন। ইসলাম কীভাবে মানবিকতা, সহানুভূতি ও শান্তিপূর্ণ আচরণের উপর গুরুত্ব দেয়, তা জানতে এই উক্তিগুলো পড়ুন।
- “ভালো কথা ও ক্ষমা, এমন দান অপেক্ষা উত্তম, যার পরে কষ্ট দেয়া হয়।” — সূরা আল-বাকারা (২:২৬৩)
- “আল্লাহ অন্যায়কারীদের পছন্দ করেন না।” — সূরা আলে ইমরান (৩:৫৭)
- “তুমি মানুষের জন্য সেইটিই কামনা করো, যা তুমি নিজের জন্য কামনা করো।” — তিরমিজি, হাদিস: ২৩১৫
- “যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” — তাবরানী
- “সৃষ্টিকে দয়া করো, আসমানের মালিক তোমার প্রতি দয়া করবেন।” — তিরমিজি
- “অন্যায়ভাবে কারও সম্মানহানী করো না, কারণ কিয়ামতের দিন তা কঠিন হিসাবের কারণ হবে।” — আবু দাউদ
- “আল্লাহর প্রিয় সেই ব্যক্তি, যে মানুষকে শান্তি দেয়।”
- “মানুষকে কষ্ট দেওয়া ইবাদত ধ্বংস করে দেয়।”
- “জুলুম একদিন জুলুমকারীকেই ধ্বংস করে।”
- “মানুষের চোখের জল, আল্লাহর আরশ কাঁপিয়ে তোলে।” উইকিপিডিয়া
- “যাকে কাঁদালে একদিন তাকেই কাঁদতে হয়।”
- “মনের ঘা সবচেয়ে বেশি কষ্টদায়ক, তাই কথা বলার আগে ভাবো।”
- “মানুষের দোষ না খুঁজে নিজের চরিত্র গঠন করো।”
- “আল্লাহ তার সাথে থাকেন, যে মানুষের সাথে ন্যায় করে।”
- “অন্যের ব্যথা বুঝতে শেখো, সেটাই ঈমানের নিদর্শন।”
- “যে হৃদয় কাঁদতে জানে, সে হৃদয় কাউকে কষ্ট দিতে পারে না।”
কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি 2026
“কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি ২০২৬” হলো এমন একটি বিষয়, যা মানুষের জীবনের দুঃখ-কষ্ট, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি ভরসার গভীর শিক্ষা তুলে ধরে। ইসলামে কষ্টকে শুধু দুঃখ হিসেবে নয়, বরং ঈমান শক্ত করার একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়। এই ধরনের ইসলামিক উক্তিগুলো মানুষের মনকে সান্ত্বনা দেয়, হতাশা দূর করে এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা জাগিয়ে তোলে।
- “আল্লাহ যার ভালো চান, তাকে কষ্ট দিয়ে পরীক্ষা করেন।” – [সহীহ বুখারী]
- “আল্লাহ তাঁর বান্দার সহ্যশক্তির বাইরে কোনো কষ্ট দেন না।” – [সূরা বাকারা ২:২৮৬]
- “দুঃখে পড়ে হাল ছেড়ে দিও না, বরং আল্লাহর দরজায় আরও শক্ত করে ধরো।”
- “কষ্ট হলো বান্দাকে তার রবের নিকটবর্তী করার মাধ্যম।”
- “সবচেয়ে শক্ত মানুষ সে, যে কষ্টেও আল্লাহকে ভুলে না।”
- “কষ্টের পরেই আসে সান্ত্বনা, অন্ধকারের পরেই আসে আলো।”

- “আল্লাহর পরিকল্পনা তোমার কষ্টের মাঝেই রয়েছে রহমতের আভাস।”
- “তুমি হারিয়ে যাওনি, আল্লাহ তোমাকে নতুন পথে নিয়ে যাচ্ছেন।”
- “কষ্টের পরই আসে সুখ, যেমন রাতের পর আসে সকাল।”
- “তোমার কষ্ট একদিন তোমার সওয়াবে রূপান্তরিত হবে, ইনশাআল্লাহ।”
- “কষ্টের মধ্যেই আছে তোমার রবের রহমতের চিহ্ন।”
FAQ
কিছু প্রশ্নত্তোর আপনাকে আরো সাহায্য করবে।
কষ্টের মধ্যে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কী ?
ইসলামে কষ্ট বা সমস্যাকে এক ধরনের পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) মুমিনদের জন্য কষ্ট পাঠাতে পারেন যাতে তারা নিজেকে উন্নত করতে পারে, শক্তিশালী হতে পারে এবং আল্লাহর কাছে আরও নিকটে আসতে পারে।
ইসলামে কষ্টের অর্থ কী ?
ইসলামে কষ্টের অর্থ শুধু শারীরিক বা মানসিক যন্ত্রণা নয়, বরং এটি আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এবং তার প্রতি আনুগত্যের একটি সুযোগও। কষ্টের মাধ্যমে একজন মুসলিম তার আত্মার পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে পারেন।
ইসলামে কষ্টের গুরুত্ব কী ?
ইসলামে কষ্ট এবং পরীক্ষার গুরুত্ব অনেক। আল্লাহ তাআলা মুমিনদের পরীক্ষা দেন তাঁদের ঈমান এবং ধৈর্যের পরিমাপের জন্য। কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা নিশ্চয়ই তোমাদের জীবনে কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, তোমাদের ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতি সহ্য করবে। তবে সুসংবাদ দিন সে সকলের, যারা ধৈর্য ধারণ করে।” (সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫۵)
উপসংহার
“কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তি” বিষয়টি গভীর এবং গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শিখায়, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের মধ্যে আল্লাহর পরীক্ষা থাকে। কষ্ট, দুঃখ বা বিপদ, সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি উপহার বা শিক্ষা হতে পারে। আল্লাহ বলেন, “আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো কিছুটা ভয়, ক্ষতি, ক্ষুধা দিয়ে” (সুরা বাকারা: ১৫৫)। অর্থাৎ, কষ্টের সময় আমরা যদি ধৈর্য ধরতে পারি এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখতে পারি, তবে তা আমাদের জন্য উত্তম হয়ে দাঁড়ায়। অতএব, কষ্ট শুধু দুঃখ বা ভোগের বিষয় নয়, বরং এটি আল্লাহর কাছ থেকে আরো নিবিড় সম্পর্ক গড়ার একটি সুযোগ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সবর করার তৌফিক দিন এবং কষ্টের সময়ে তাঁকে স্মরণ করার শক্তি দিন।
আপনার প্রিয় কষ্ট নিয়ে ইসলামিক উক্তিকোনটি? নিচে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!
