599+ জনপ্রিয় বাণী: Sayings -2025

“বাণী” হলো মানুষের চিন্তা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পরিশুদ্ধ প্রকাশ। এটি এমন এক শক্তি, যা হৃদয়কে স্পর্শ করে, মনের দ্বার উন্মুক্ত করে এবং জীবনের পথ নির্দেশ করে। ইতিহাসের প্রতিটি যুগে মহান ব্যক্তিত্বরা তাঁদের অমূল্য বাণীর মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে আহ্বান জানিয়েছেন। বাণী কখনো ধর্মীয় শিক্ষার আলো হয়ে আসে, কখনো জীবনবোধের মর্মবাণী হয়ে আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাই বাণী শুধু কিছু শব্দ নয়, এটি এক জীবন্ত প্রেরণা — যা মানুষকে সৎ, সচেতন ও আলোকিত জীবনের দিকে এগিয়ে দেয়। যারা জীবনে সঠিক পথ খুঁজছেন, তাদের জন্য বাণী হতে পারে এক মন্ত্রমুগ্ধকর গাইড।

বাণী

বাণী হল জ্ঞানগর্ভ উক্তি, অনুপ্রেরণামূলক কথা বা দিকনির্দেশনামূলক বাক্য, যা জীবনের নানা দিক নিয়ে চিন্তা, উপলব্ধি ও প্রেরণা জোগায়। এখানে পাওয়া যাবে বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের বাণী, ধর্মীয় বাণী ও জীবনঘনিষ্ঠ উক্তির সংগ্রহ। 

  • যত মানুষ ভালো কাজ করবে, তত বিশ্ব সুন্দর হবে।
  • পরিশ্রম ছাড়া কোনো সাফল্য আসে না।
  • ভালো কাজ করলে ভালো ফল পাবোই।
  • মানুষের মধ্যে ভালো দিক খুঁজে পাওয়া উচিত।
  • সময়কে কাজে লাগাও, সময় কখনো ফিরে আসে না।
  • ভালোবাসা দান করলে বেশি পাওয়া যায়।
  • দায়িত্ব পালন করাই জীবনের সার্থকতা।
  • শিখতে চাও, তাহলে বড় হতে পারবে।
  • ছোট ছোট কাজই বড় পরিবর্তন আনে।
  • প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো।
  • সত্য বলো, সৎ হও, তোমার নাম হবে অমর।
  • ভালো কাজ করার জন্য কখনো দেরি হয় না।
  • মনের জোর থাকলে অজস্র বাধা পেরোয়া যায়।
  • ছোট ছোট পদক্ষেপ বড় লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে।
  • জীবনে ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়, আবার চেষ্টা করো।
  • সময়কে মূল্য দাও, সময়ই জীবনের সেরা শিক্ষক।
  • সুখী হতে চাইলে মানুষের সাথে ভাল ব্যবহার করো।
  • আজকের পরিশ্রমই আগামী দিনের সোনালী ফল।
  • যত দিন বেঁচে আছো, তত দিন শিখতে থাকো।
  • নিজেকে ছোট ভাবো না, তুমি বড়ো কিছু করার ক্ষমতা রাখো।
  • প্রত্যেক ব্যর্থতার মধ্যে লুকানো থাকে নতুন একটি সুযোগ।
  • বন্ধুত্ব হলো জীবনের সবচেয়ে বড়ো উপহার।
  • জীবনের চাবিকাঠি হলো নিজেকে বিশ্বাস করা।
  • অন্যের জন্য চিন্তা করো, জীবনে শান্তি থাকবে।
  • সাহস আর সম্মান হাত ধরাধরি করে চলে।
  • প্রতিদিনের ছোটো পদক্ষেপ বড়ো পরিবর্তন আনে।
  • মানুষ একাই কিছু করতে পারে না, সবাই মিলে করতে হয়।
  • অন্যের ভুল মাফ করাই সত্যিকারের শক্তি।
  • অভিজ্ঞতা হলো জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক।
  • সুখ খুঁজে পেতে হলে অন্যকে সুখী করতে হবে।
  • জয়ী হতে চাইলে প্রথমে পরাজিত হতে শিখো।
  • ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো, মহান হওয়ার নয়।
  • একাগ্রতা দিয়ে কাজ করলেই সফলতা আসবেই।

শিক্ষামূলক বাণী

“জীবনের প্রতিটি ধাপে অনুপ্রেরণা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে শিক্ষামূলক বাণী গুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এখানে আপনি পাবেন মূল্যবান নীতি, নৈতিকতা ও শিক্ষামূলক চিন্তার উৎস।” 

  • যারা শেখার জন্য আগ্রহী, তারা সবসময় সফল হয়।
  • ভাল শিক্ষা হৃদয় ও মন দুটোকে উজ্জীবিত করে।
  • শেখার ইচ্ছা হারালে জীবন অন্ধকারে ডুবে যায়।
  • ভালো শিক্ষার জন্য চেষ্টা কখনো থেমে থাকা উচিত নয়।
  • শিক্ষা শুধু পড়াশোনা নয়, চরিত্র গঠনের মাধ্যম।
  • নিজের উন্নতির জন্য প্রতিদিন কিছু শেখো।
  • ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া মেধার পরিচয়।
  • শেখার ইচ্ছা থাকলে পথ সব সময় আছে।
  • শিক্ষার মাধ্যমে মানসিক অন্ধকার কাটানো যায়।
  • জ্ঞান অর্জন করলে জীবন আলোকিত হয়।
  • পড়ালেখা কখনো বেকার সময় নষ্ট করা নয়।
  • কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সফলতা অর্জন সম্ভব নয়।
  • আজকের পড়ালেখা আগামীকের সাফল্যের চাবিকাঠি।
  • শিক্ষক এক জন উপদেশক নয়, পথপ্রদর্শক।
  • জ্ঞানশীল ব্যক্তি জীবনের সঠিক পথ পায়।
  • শেখা কখনো থামে না, জীবন চলছে শেখার মাধ্যমে।
  • ভুল থেকে শিখে উঠাই সফলতার মূল চাবিকাঠি।
  • কঠিন সময়ে ধৈর্য ধরে চেষ্টা করাই শিক্ষার পরিচয়।
  • সৎ পথে চললে শেষ পর্যন্ত সফলতা হাতছাড়া হয় না।
  • যত বেশি জানবে, ততই তুমি বেশি স্বাধীন হবে।
  • সাহস হারিয়ে না ফেলাই জীবনের শিক্ষার অংশ।
  • নিজের উন্নতির জন্য প্রতিদিন একটু একটু করে শেখো।

বাণী চিরন্তন বাস্তবতা

“বাণী চিরন্তন বাস্তবতা” — জীবনের অনন্ত সত্য ও অভিজ্ঞতাকে ঘিরে চিরকাল প্রাসঙ্গিক কিছু মূল্যবান উক্তি, যা আমাদের চিন্তা, অনুভব ও জীবনদর্শনে প্রভাব ফেলে এবং অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। 

  • জীবনে সবাই ভালোবাসে না, কেউ কেউ কেবল ব্যবহার করে।
  • সব সম্পর্ক টিকে না, কিছু সম্পর্ক শেখায় কিভাবে বাঁচতে হয়।
  • যার মনের ভেতর ভালোবাসা নেই, তার মুখের হাসি বিশ্বাসযোগ্য নয়।
  • মানুষ বদলায় না, সময়ের প্রয়োজনে অভিনয় করে।
  • ভুল মানুষকে বিশ্বাস করা জীবনের বড় ব্যর্থতা।
  • যার কাঁধে ভর দিয়ে চলেছিলে, সে-ই একদিন তোমাকে ফেলে দিতে পারে।
  • ভালোবাসা যদি একতরফা হয়, তাহলে সেটা কষ্টে পরিণত হয়।
  • কখনো কারো জন্য নিজেকে বদলিও না, যাকে ভালোবাসবে, সে তোমাকে এমনই ভালোবাসবে।
  • জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হলো “অভিজ্ঞতা”।
  • যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো।
  • মানুষ ভুল করে, কিন্তু বারবার ভুল করলে সেটা চরিত্র হয়ে যায়।
  • নীরবতাই অনেক সময় সবচেয়ে বড় উত্তর।
  • পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো — মনের মানুষকে ভুলে যাওয়া।
  • তোমার কষ্ট কেউ বুঝবে না, যতক্ষণ না সেটা তার জীবনে আসে।
  • মুখোশ পরা মানুষগুলোই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
  • ভালোবাসা প্রমাণের নয়, অনুভবের বিষয়।
  • জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে কিছু না কিছু হারাতে হয়, তারপরই পাওয়া যায় নতুন কিছু।
  • যাকে তুমি সব কিছু দাও, সে-ই তোমাকে সবথেকে কষ্ট দেয়।
  • যাকে তুমি ভুলে গেছো ভাবো, সে হয়তো এখনো তোমায় মনে রাখে।
  • মানুষ যতই বলুক ‘আমি ভালো আছি’, মনে রেখো – ভালো থাকার অভিনয় অনেক কঠিন।
  • স্বার্থ ফুরোলেই মানুষ অন্য মানুষ হয়ে যায়।
  • সুখ থাকলে সবাই পাশে থাকে, কষ্টে কে থাকে সেটাই হলো আসল পরীক্ষা।
  • প্রত্যেকটা সম্পর্কেই “বিশ্বাস” সবচেয়ে বড় ভিত।
  • কাউকে হারিয়ে ফেললে বোঝা যায়, তার মূল্য কতটা ছিল।
  • বাস্তবতা কখনো মিষ্টি হয় না, কিন্তু সেটাই শেষ সত্য।
  • জীবনে অনেক কিছু হারাতে হয় কেবল একটা সত্য জানার জন্য।

ইসলামিক বাণী

“পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে সংগৃহীত হৃদয় ছোঁয়া ইসলামিক বাণী সমূহ এখানে পড়ুন। ঈমান, তাকওয়া, ধৈর্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ সংক্ষিপ্ত বাণীগুলো আপনার অন্তরকে আলোকিত করবে।” 

“যে মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাকে মহত্ত্ব দান করেন।”

“যার মধ্যে বিন্দুমাত্র অহংকার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।” (হাদিস)

“সবকিছুর একটা নিয়ম আছে, আর হৃদয়কে প্রশান্তি দেয় আল্লাহর জিকির।” (সুরা রাদ, ২৮)

“মুসলমান সেই, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।” (হাদিস)

“আল্লাহর ওপর ভরসা করো, কারণ তিনি কখনো কাউকে হতাশ করেন না।”

ইসলামিক বাণী
ইসলামিক বাণী

“নেক আমল করো, কারণ মৃত্যুর সময় তা-ই সঙ্গে যাবে।”

“গীবত করা মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো।” (সুরা হুজুরাত, ১২)

“যার অন্তর আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, তার জন্য জান্নাত সুসংবাদ।”

“তুমি আল্লাহকে ভুললেও, তিনি তোমাকে ভোলেন না।”

“আল্লাহর পথে ব্যয় করলে সম্পদ কমে না।” (হাদিস)

“জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই আখিরাতের জন্য প্রস্তুত হও।”

“প্রতিটি ভালো কাজই ইবাদত, যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়।”

“আল্লাহ যার জন্য চায় ভালো, তাকে দীন সম্পর্কে জ্ঞান দেন।” (হাদিস)

“নিয়ত ঠিক থাকলে ছোট আমলও বড় হয়ে যায়।”

“জান্নাতের পথ কাঁটার মতো কঠিন, কিন্তু পুরস্কার অনন্ত সুখ।”

জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ।

একটি ভালো কথা হাজারো ভালো কাজের চেয়ে উত্তম।

তোমার কাজের মধ্যে সদয় হওয়া ভুল হওয়ার থেকে ভালো।

ধর্য্য ধরে দুনিয়ার বিপদ-আপদ সহ্য করো, আল্লাহ তোমার সহায় হবে।

তোমার নেক আমল পরবর্তী জীবনে আলোর পথ দেখাবে।

আল্লাহর সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা জীবনের সেরা বিনিয়োগ।

মহানবীর বাণী

“মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর গুরুত্বপূর্ণ বাণীসমূহ এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা শান্তি, ন্যায়, মানবতা ও নৈতিকতার অনন্য বার্তা বহন করে। ইসলামি আদর্শ ও জীবনদর্শনের প্রেরণাদায়ক দিকগুলো জানুন।”

  • “ইন্নামাল আমালু বিল নিহাইয়াত” – আমলের ফলাফল নির্ভর করে শেষ পর্যন্ত।
  • “কুলুন আন্নাস ইবনে আদম” – সকল মানুষ আদমের সন্তান।
  • “আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে প্রিয় কাজ হলো দ্রুত কাজ করা।”
  • “জাহিলতায় মৃত্যু অপেক্ষা করা থেকে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই উত্তম।”
  • “শিক্ষা গ্রহণ করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ।”
  • “প্রকৃত মুমিন হল যে, সে অন্যের ক্ষতি করে না।”
  • “অন্যের প্রতি সদয় হওয়া জন্নাতের চাবিকাঠি।”
  • “ভালো কাজ করো, কারণ ভালো কাজের প্রতিদান ভালো।”
  • “অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করাই প্রকৃত সাহসিকতা।”
  • “জ্ঞান অর্জন করো, কারণ জ্ঞান অভিজ্ঞতার চাবিকাঠি।”
  • “সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি হচ্ছে যিনি অন্যের উপকারে সর্বোচ্চ।”
  • “ক্ষমা করো, ক্ষমার মাধ্যমে তুমি মহানতা অর্জন করবে।”
  • “শিক্ষা গ্রহণ করো, কারণ তা তোমার সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
  • “নিজেকে জানো, কারণ নিজের জানা হলো সত্যি জ্ঞান।”
  • “সবাইকে সম্মান করো, কারণ সম্মান ফেরত পেতে হয়।”

শ্রেষ্ঠ বাণী

শ্রেষ্ঠ বাণীর সংকলনে রয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা, প্রেরণাদায়ক উক্তি ও চিন্তাশীল বচন যা মন ও মস্তিষ্ককে আলোকিত করে। প্রতিদিনের অনুপ্রেরণার জন্য পড়ুন জ্ঞানে ভরপুর এই বাণীগুলো। 

  • “জ্ঞানী হওয়া যায়, কিন্তু ভালো মানুষ হওয়া জরুরি।”
  • “ভুল থেকে শিক্ষা নাও, তাতে নিজেকে হারিয়ো না।”
  • “যে ধৈর্য ধরতে পারে, সে জয়লাভ করবেই।”
  • “সত্যকে চাপা দেওয়া যায়, কিন্তু মুছে ফেলা যায় না।”
  • “যে নিজেকে সম্মান করে, অন্যকেও করতে জানে।”
  • “জীবন হচ্ছে চলমান নদীর মতো—কখনো শান্ত, কখনো প্রবল।”
  • “ভালোবাসা জোর করে অর্জন করা যায় না।”
  • “নিজেকে বদলাও, দুনিয়া বদলাতে শুরু করবে।”
  • “ছোট কাজও যদি আন্তরিকতায় করা হয়, তা বড় হয়ে ওঠে।”
  • “কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও একধরনের ভদ্রতা।”
  • “সময়কে মূল্য দাও, সময় তোমাকে মূল্য দেবে।”
  • “নিন্দুকের কাছ থেকেও শেখার আছে।”
  • “প্রকৃত জ্ঞানী কখনো নিজেকে জাহির করে না।”
  • “ভবিষ্যৎ নির্ভর করে বর্তমান কর্মের উপর।”
  • “নির্ভীক মনেই লুকিয়ে থাকে অদম্য শক্তি।”
  • “অতীত ভুলে যাও, ভবিষ্যতের জন্য কাজ করো।”
  • “স্বপ্ন দেখো, কিন্তু বাস্তবতাকে ভুলে যেও না।”
  • “ব্যর্থতা কখনো শেষ না, যদি তুমি হাল না ছাড়ো।”
  • “অন্যের উপকার করো, বিনিময়ে কিছু আশা কোরো না।”
  • “ভালোবাসা ও দয়া সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।”
  • “অন্যকে সম্মান করলে, নিজের মর্যাদা বাড়ে।”
  • “যে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই প্রকৃত বিজয়ী।”
  • “শুরু করতে ভয় কোরো না, বড় কিছু ছোট দিয়েই শুরু হয়।”
  • “একা হাঁটতে ভয় পেও না, কারণ পথ একাই তৈরি হয়।”
  • “অন্যের সাফল্যে ঈর্ষা নয়, অনুপ্রেরণা খোঁজো।” 

ইসলামিক বাণী চিরন্তনী

“ইসলামিক বাণী চিরন্তনী” একটি সংগ্রহ, যেখানে পবিত্র কুরআন, হাদীস ও মনীষীদের মূল্যবান ইসলামিক উক্তি তুলে ধরা হয়েছে—যা আপনাকে জীবন গঠনে অনুপ্রেরণা ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ করবে। 

  • “সত্য মুমিন সেই, যার কথায় আমানত ও কাজে বিশ্বস্ততা থাকে।”
  • “আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না।”
  • “আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না কেবল পথভ্রষ্টরাই।” — সূরা ইউসুফ
  • “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।” — সূরা বাকারা
  • “সদকা কোনো সম্পদ কমায় না।” — হাদীস (মুসলিম)
  • “যারা কোরআন পড়ে ও অনুসরণ করে, তাদের জন্য রয়েছে চিরন্তন সফলতা।”
  • “তোমরা আল্লাহকে ভুলে যেও না, তাহলে আল্লাহও তোমাদের ভুলিয়ে দেবেন।”
  • “সন্তুষ্ট থাকো আল্লাহর ফয়সালায়, এতে রয়েছে শান্তির আশ্রয়।”
  • “তোমরা দুনিয়াকে আখিরাতের চেয়ে বড় মনে কোরো না।”
  • “কোরআন তোমার বন্ধু হবে, যদি তুমি তাকে বন্ধু মনে করো।”
  • “তুমি যত গোপনে গুনাহ করো, তত গোপনে তওবা করো।”
  • “তোমার জবানকে নিয়ন্ত্রণ করো, এটি তোমার জান্নাত বা জাহান্নামের পথ।”
  • “প্রত্যেক আত্মাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” — সূরা আলে ইমরান
  • “আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।” — সূরা আল ইমরান

সত্য বাণী

“সত্য বাণী” হলো জীবনমুখী, প্রেরণাদায়ী ও শিক্ষণীয় উক্তির সংগ্রহ, যা মানুষের চিন্তাভাবনা, নৈতিকতা ও আত্মউন্নয়নে অনুপ্রেরণা জোগায়। প্রতিদিনের জীবনে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে এই বাণীগুলি সহায়ক। 

  • সময় কখনো কাউকে অপেক্ষা করে না।
  • মিথ্যার উপর দাঁড়ানো ভবিষ্যৎ কখনো টেকে না।
  • পরের দোষ খোঁজার আগে নিজের আয়নায় মুখ দেখো।
  • শান্ত মানুষকে ভয় করো, তার ধৈর্যের সীমা থাকেনা।
  • সত্য চাপা থাকে না, একদিন প্রকাশ হবেই।
  • ভালোবাসা চাইলে আগে ভালোবাসতে শেখো।
  • বড় হতে হলে আগে ছোট হতে জানতে হয়।
  • দুর্বলরা প্রতিশোধ নেয়, শক্তিশালীরা ক্ষমা করে।
  • সবকিছু পাওয়ার চেয়ে কিছু কিছু হারানো ভালো।
  • সত্য কথা সবসময় তেতো হয়, কিন্তু উপকারী।
  • যে নিজের ভুল স্বীকার করে, সে সত্যিকারের মানুষ।
  • টাকা দিয়ে অনেক কিছু কেনা যায়, কিন্তু শান্তি নয়।
  • তুমি যা বলো, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তুমি কী করো।
  • নিজের মনের সঙ্গে শান্তিতে থাকাই সবচেয়ে বড় অর্জন।
  • মৃত্যু অনিবার্য, তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করো।
  • সত্য কখনো চাপা থাকে না, একদিন প্রকাশ হবেই।
  • জ্ঞানীর নীরবতা, মূর্খের চিৎকারের চেয়ে অনেক মূল্যবান।
  • সময় সবচেয়ে বড় শিক্ষক, কিন্তু সে নিজের শিক্ষাটা দেরিতে দেয়।
  • বিশ্বাস একবার ভাঙলে আর আগের মতো জোড়া লাগে না।
  • যে নিজের ভুল স্বীকার করে, সে সত্যিকারের মানুষ।

অমূল্য বাণী

“অমূল্য বাণী” হলো জীবনের শিক্ষণীয় ও প্রেরণাদায়ক কথা, যা মানুষকে ইতিবাচক চিন্তা ও সুসংহত জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে। এখানে পাওয়া যাবে বিভিন্ন সময়ের মহান ব্যক্তিদের থেকে সংগ্রহিত অনুপ্রেরণামূলক উক্তি ও বাণী।

অমূল্য বাণী
অমূল্য বাণী
  • “সৎ পথে হাঁটলে গন্তব্য যতই দূর হোক, ঠিক পৌঁছানো যায়।”
  • “সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না, তাই সময়ের মূল্য দাও।”
  • “ভালোবাসা তখনই টেকে, যখন তাতে সম্মান থাকে।”
  • “অন্যের দোষ দেখার আগে নিজের আয়নাটি পরিষ্কার করো।”
  • “জ্ঞান অর্জন করো, কারণ তা কখনো হারায় না।”
  • “নীরবতাই কখনো কখনো সবচেয়ে বড় জবাব।”
  • “মনের জোর থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়।”
  • “মিথ্যা দিয়ে কখনো দীর্ঘমেয়াদী কিছু গড়া যায় না।”
  • “বিপদে যে পাশে থাকে, সে-ই সত্যিকারের আপন।”
  • “যে নিজেকে ভালোবাসে, সে অন্যকেও ভালোবাসতে জানে।”
  • সত্যের পথে যারা হাঁটে, তারা কখনো পথ হারায় না।
  • জ্ঞান অর্জন করো, তা যেখানেই থাকুক না কেন।
  • নম্রতা কখনো মানুষকে ছোট করে না, বরং বড় করে।
  • জীবনকে বদলাতে চাইলে, নিজেকে বদলাও।
  • সময়কে যিনি মূল্য দেন, সময়ও তাকে মূল্য দেয়।
  • ভবিষ্যৎ তাদেরই যারা নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখে।
  • মেধা নয়, ইচ্ছাশক্তিই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
  • জীবন একটা আয়না – যেমন দেবে, তেমনই ফেরত পাবে।
  • প্রতিটি সূর্যাস্তের পরেই একটি নতুন সূর্যোদয় অপেক্ষা করে।

বুদ্ধিমানদের বাণী

বুদ্ধিমানদের বাণী হলো জীবনের জটিলতা সহজে বুঝতে সাহায্য করে এমন মূল্যবান উক্তি। এখানে আপনি পাবেন চিন্তাশীল এবং প্রেরণামূলক বাণী যা মনোবল বৃদ্ধি করে এবং সফলতার পথে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। 

  • “নিজেকে জয় করাই সবচেয়ে বড় বিজয়।” – সক্রেটিস
  • “শিক্ষাই জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি।” – সন ম্যান্ডেলা
  • “অল্প জানো, কিন্তু গভীরভাবে জানো।” – পিথাগোরাস
  • “ভুল করা দোষের নয়, শোধরানো না-ই হলো দোষ।” – কনফুসিয়াস
  • “অভ্যাসই চরিত্র গঠনের মূল।” – অ্যারিস্টটল
  • “বিপদে যারা হাসতে পারে, তারাই সত্যিকারের মানুষ।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • “নিজের সীমাবদ্ধতা জানাই জ্ঞানীর কাজ।” – সক্রেটিস
  • “যে বই পড়ে না, সে কিছুই জানে না।” – আব্রাহাম লিঙ্কন
  • “কাজ করো, ফল নিয়ে ভাবো না।” – শ্রীকৃষ্ণ (গীতা)
  • “আলো ছড়াতে হলে নিজেকে পুড়তে হয়।” – স্বামী বিবেকানন্দ
  • “যতক্ষণ তোমার ভয় থাকবে, ততক্ষণ তুমি পরাধীন।” – বুদ্ধ
  • “নীরবতাই মাঝে মাঝে সবচেয়ে শক্তিশালী উত্তর।” – লাও ত্সু
  • “নিজেকে জানো, তবে পৃথিবীকেও জানো।” – সক্রেটিস
  • “একবার নয়, বারবার চেষ্টা করাই সফলতার চাবিকাঠি।” – থমাস এডিসন
  • “তর্কে নয়, যুক্তিতে জেতো।” – আরজুন (গীতা)
  • “ক্ষমাশীলতাই মানুষের বড় গুণ।” – হজরত মুহাম্মদ (সঃ)
  • “সত্য কখনো চাপা থাকে না।” – গৌতম বুদ্ধ
  • “অহংকার জ্ঞানকে ধ্বংস করে।” – আলবার্ট আইনস্টাইন
  • “নিজের কাজ নিজেই করো, কারণ তোমার মতো কেউ তা করবে না।” – স্টিভ জবস
  • “ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নাও, কিন্তু বর্তমানে বাঁচো।” – মার্ক অরেলিয়াস
  • “তুমি যেমন ভাবো, তেমনই হয়ে ওঠো।” – ব্রুস লি
  • “কখনো হাল ছেড়ো না, কারণ শেষ মুহূর্তেই জয় আসে।” – হেলেন কেলার
  • “নিজের স্বপ্নকে কখনো ছোট ভাবো না।” – এ পি জে আব্দুল কালাম
  • “সৎ পথে থাকলে ভয় করার কিছু নেই।” – আব্রাহাম লিঙ্কন
  • “যা বলো, তা করো—এটাই বিশ্বস্ততার মূল।” – জর্জ ওয়াশিংটন

বাণী কথা

বাণী কথা হলো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও মর্মস্পর্শী বচন যা আমাদের চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে। এখানে বাণী কথার সংগ্রহ ও অর্থবোধ তুলে ধরা হয়েছে, যা আপনাকে জীবনে প্রেরণা ও সঠিক পথ নির্দেশ করবে।

  • ভালো কাজ করো, ফল আপনা থেকে আসবে।
  • অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াও, নীরব থেকো না।
  • সবচেয়ে বড় বিজয় নিজেকে জয় করা।
  • নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, বিশ্ব তোমার উপর বিশ্বাস রাখবে।
  • জীবন একবারই আসে, তাকে সেরা করে তোলো।
  • বড় স্বপ্ন দেখো, ছোট শুরু করো, নিরবিচারে লেগে থাকো।
  • সাফল্য কখনোই হুট করে আসে না, এটা অধ্যবসায়ের ফল।
  • যারা অন্যের উপকার করে, তারাই আসল বিজয়ী।
  • ভালোবাসা দিতে জানলে, ভালোবাসা পাবে।
  • অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় করা যায় না।
  • সততা সবসময়ই পুরস্কৃত হয়, দেরিতে হলেও।
  • অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়াও অন্যায়ের সমান।
  • চিন্তার স্বাধীনতাই মুক্ত জীবনের প্রথম ধাপ।
  • নিজের সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ করো, নতুন তুমি সৃষ্টি হবে।
  • ভুল থেকেই শিক্ষা আসে, তাই ভুলকে ভয় কোরো না।
  • একদিনে কিছুই হয় না, কিন্তু প্রতিদিন একটু একটু করেই সব হয়।
  • সফল মানুষ সবসময় শেখে, অসফল মানুষ সবসময় বলে।
  • জীবন হলো নদীর মতো—চলতে চলতেই তা পূর্ণতা পায়।
  • সময়কে কদর করতে না জানলে, ভবিষ্যত কাঁদাবে।
  • নিজেকে বদলাতে শেখো, জগৎ আপনাতেই বদলাবে।
  • সাফল্য আসে তাদের কাছেই, যারা হার মানে না।
  • স্বপ্ন দেখো, তবে তাকে বাস্তব করতে কাজ করো।
  • যে নিজেকে চিনে, সে জগৎকে জয় করতে পারে।
  • অহংকার জ্ঞানকে ঢেকে দেয়, বিনয় জ্ঞানকে প্রকাশ করে।
  • মিথ্যা যত বড়ই হোক, একদিন সত্যের কাছে হার মানে।
  • অন্যের দোষ দেখার আগে নিজেরটা খুঁজে দেখ।
  • মুখে ভালোবাসা নয়, কাজে ভালোবাসা দেখাও।
  • সাফল্যের পেছনে লুকানো থাকে অনেক ব্যর্থতা।

ধৈর্য নিয়ে আল্লাহর বাণী

“ধৈর্য নিয়ে আল্লাহর বাণী” বিষয়টি এমন এক অনুপ্রেরণামূলক সংগ্রহ, যেখানে কুরআন ও হাদিস থেকে নেওয়া হয়েছে আল্লাহর নির্দেশ ও উপদেশ যা মানুষকে কঠিন সময়ে ধৈর্য ধরতে, আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে এবং সফলতার পথে দৃঢ় থাকতে উৎসাহ দেয়। এই বাণীগুলো হৃদয়কে শান্তি দেয়, ঈমানকে দৃঢ় করে এবং জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় আল্লাহর রহমতের আশা জাগিয়ে তোলে।

  • “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” — সূরা আল-বাকারা ২:১৫৩
  • “আর তুমি ধৈর্য ধারণ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের প্রতিফল নষ্ট করেন না।” — সূরা হুদ ১১:১১৫
  • “ধৈর্যশীলদের জন্য রয়েছে অনন্ত পুরস্কার, যার কোন হিসাব নেই।” — সূরা আজ-যুমার ৩৯:১০
  • “যারা বিপদে পড়লে বলে, ‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে ফিরে যাব।” — সূরা আল-বাকারা ২:১৫৬
  • “তাদের উপর রয়েছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে বরকত ও রহমত, আর তারাই সৎপথপ্রাপ্ত।” — সূরা আল-বাকারা ২:১৫৭
  • “আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কার সর্বোত্তমভাবে দেন।” — সূরা আন-নাহল ১৬:৯৬
  • “নিশ্চয়ই এরা ধৈর্যশীল ও নিজেদের রবের প্রতি নির্ভরশীল।” — সূরা আন-আনকাবুত ২৯:৫৯
  • “যখন তারা ধৈর্য ধারণ করেছিল, তখন আমি তাদেরকে এমন নেতা বানিয়েছি যারা আমার আদেশে পথ প্রদর্শন করত।” — সূরা আস-সাজদা ৩২:২৪
  • “নিশ্চয়ই ধৈর্য ও তাকওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য আসে।” — সূরা আলে ইমরান ৩:১২৫
  • “তুমি ধৈর্য ধারণ করো, নিশ্চয়ই তোমার ধৈর্য আল্লাহর পক্ষ থেকে।” — সূরা আল-মুদ্দাসসির ৭৪:৭
  • “যারা বিপদে পড়ে ধৈর্য ধারণ করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।” — সূরা আল-ইনসান ৭৬:১২
  • “আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।” — সূরা আলে ইমরান ৩:১৪৬
  • “যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দেন।” — সূরা আল-আনকাবুত ২৯:৬৯
  • “আর যারা ধৈর্য ধারণ করে, তাদের প্রতিদান দ্বিগুণ দেয়া হবে।” — সূরা আল-কাসাস ২৮:৫৪
  • “ধৈর্যশীলদের জন্য জান্নাতে সালাম ও শান্তি থাকবে।” — সূরা আর-রা‘দ ১৩:২৪
  • “যারা ধৈর্য ধরে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেন না।” — সূরা হুদ ১১:১১৭
  • “তুমি ধৈর্য ধরো এবং তাদের কাজের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ো না।” — সূরা আন-নাহল ১৬:১২৭
  • “ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমার সঙ্গে আছেন।” — সূরা আত-তাওবা ৯:৪৬
  • “ধৈর্য ধারণ করো, কারণ আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী।” — সূরা আল-বাকারা ২:২১৪
  • “যে ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দেবেন।” — সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৫–৮৬
  • “নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎ, ধৈর্যশীল ও কল্যাণকামীদের ভালোবাসেন।” — সূরা আলে ইমরান ৩:১৪৮

কিছু প্রশ্নত্তোর আপনাকে আরো সাহায্য করবে।

বাণী কী?

বাণী হলো কোনো ব্যক্তির বলা বা লেখা সুগঠিত এবং অর্থপূর্ণ কথা বা বাক্যাংশ, যা সাধারণত জীবনদর্শন, জ্ঞান, নৈতিকতা বা শিক্ষণীয় বিষয় প্রকাশ করে। 

বাণী কেন প্রয়োজন?

বাণী মানুষের জীবনে দিকনির্দেশনা দেয়, অনুপ্রেরণা যোগায় এবং নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে। এটি জীবনযাপনে সহায়ক হয়। 

বাণী কীভাবে ব্যবহার করা যায়?

বাণী ব্যবহার করা যায় শিক্ষামূলক বক্তব্য, প্রবন্ধ, বক্তৃতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং দৈনন্দিন জীবনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য।

উপসংহার

বাণী মানুষকে চিন্তা, অনুপ্রেরণা ও জ্ঞানের পথে পরিচালিত করে। জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক বাণী আমাদের মনে শক্তি জোগায়, সৎ পথে চলতে উৎসাহ দেয় এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে। বাণী শুধু শব্দ নয়, এটি এক একটি জীবনদর্শন—যা হৃদয়ে স্পর্শ করে এবং মানুষকে মানবিক, নৈতিক ও সচেতন করে তোলে। তাই সুন্দর ও অর্থবহ বাণী আমাদের দৈনন্দিন জীবনের দিশারি হিসেবে মূল্যবান ভূমিকা রাখে।

আপনার প্রিয় বাণী কোনটি? নিচে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!

Leave a Comment

Index